একজন শিক্ষিকা ডিনার শেষ করে স্কুলের হোমওয়ার্ক এর খাতা চেক করছিলেন।
তার স্বামী তার পাশে বসে আইফোনে তার প্রিয় ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত।
হোমওয়ার্ক এর খাতা চেক করতে করতে যখন সর্বশেষ খাতা চেক করবেন তখন ঐ শিক্ষিকা আবেগা আপ্লুত হয়ে পড়লেন।
তিনি নীরবে কেঁদে উঠলেন।
তার স্বামী বিষয়টি লক্ষ্য করে জিজ্ঞেস করলেন - কাঁদছো কেন? কি হয়েছে?
শিক্ষিকা বললেন- গতকাল স্ট্যান্ডার্ড ওয়ানের ছেলেমেয়েদের হোমওয়ার্ক দিয়েছিলাম 'My Wish' নিয়ে লিখতে।
স্বামী বললেন - ঠিক আছে। বাট কাঁদছো কেন?
আমি যখন সর্বশেষ হোমওয়ার্ক এর খাতা পড়ছিলাম সেটা আমাকে আবেগা আপ্লুত করেছে।
স্বামী বেশ কৌতূহলের সাথে জিজ্ঞেস করলেন- কি লেখা আছে ঐ খাতায় যা তোমাকে আবেগা আপ্লুত করেছে?
'শোনো' - শিক্ষিকা খাতা পড়ে শোনাতে লাগলেন, "আমার ইচ্ছা একটি আইফোন ও ফেইসবুক হওয়া।
আমার বাবা-মা আইফোন ও ফেসবুক কে খুব ভালোবাসে।
তারা আইফোনের এতই যত্ন নেয় যে মাঝে মাঝে আমার যত্ন নিতে ভুলে যায়।
আমার বাবা যখন অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ফেরে তখন তাদের ফেসবুক এর জন্য সময় আছে কিন্তু
আমার জন্য নেই।
বাবা-মা যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে তখন ফোন বেজে উঠলে তারা একমুহুর্ত দেরি করেনা ফোন ধরতে কিন্তু আমি কাঁদলে.......তারা তা করে না।
তারা ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকে কিন্তু আমার সাথে নয়।
তারা যখন ফোনে কথা বলে তখন আমি কোন কথা বললে তারা শোনেনা এমনকি কোন গুরুত্বপূর্ণ
কথা হলেও না।
তাই আমার ইচ্ছা একটি আইফোন হওয়া।
লেখাটি শোনার পর স্বামীও বেশ ইমোশনাল হয়ে গেলেন।
তিনি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন - কে লিখেছে এই লেখাটি?
- 'আমাদের সন্তান'।
Thursday, March 24, 2016
Saturday, March 19, 2016
অনুভবে ভালোবাসা
ভার্সিটির লাইব্রেরী রুম।গুড়ি গুড়ি কথার আওয়াজ হচ্ছে চারপাশে।পরিমিত মাত্রায় এসি চলছে।তবু বেশ শীত শীত লাগছে রাহাতের।লাইব্রেরীগুলোতে আজকাল পড়ালেখার চেয়ে আড্ডা হয় বেশি।তবু কেউ কেউ পড়তে আসে।যেমন এসেছে মেয়েটি।রোজ পূর্ব দিকের কোনার সিটটাতে বসে ও।হাতের কাছে থাকে রাজ্যের বই।এই মেয়ের চোখে মুখে পড়ুয়া আঁতেলের কোন ছাপ নেই।
তবু মেয়েটা বেশ পড়ুয়া জানে রাহাত।গত তিন মাস ধরেই মেয়েটাকে লক্ষ্য করছে সে।ক্লাস শেষের পর ও লাইব্রেরীতে এসে বসে থাকে।মাঝে মধ্যে এক দুইটা বই নেয়।সেগুলো আর পড়া হয় না ওর।ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অগোচরে মেয়েটাকেই দেখে।ওকেই ভাবে।মেয়েটা চশমা পরে।এই মেয়ের পরার দরকার ছিল গোল চশমা।মাথার চুলগুলো থাকবে দুই বেণী করা।
তাহলে পড়ুয়া স্বভাবের সাথে মানাতো।তবু ব্যাংস করে কাটা চুল,ফুল ফ্রেমের চারকোনা চশমা সবই অদ্ভুত সুন্দর ভাবে মানিয়ে গেছে ওর সাথে।নোট তোলার সময় তিন রঙের কলম নিয়ে বসে মেয়েটা।একে দেখলেই পড়ালেখার একটা লিলুয়া ইচ্ছা জাগে রাহাতের।আপাতত মেয়েটার হাতে ডাইন্যামিক সার্কিট নেটওয়ার্কিং এর একটা বই।তার মানে আর কিছুক্ষণ বাদেই চলে যাবে মেয়েটা।
বিষয়টাতে ওর খুব আগ্রহ আছে বোধহয়।প্রতিদিনই যাওয়ার আগে মিনিট বিশেক এই বিষয়ের বই পড়ে ও।ঘড়ির কাটা এত দ্রুত চলে কেন!ভাবতে ভাবতে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে রাহাত।তবু ও জানে ওর করার কিছু নেই।এসব মেয়েদের ভালো বন্ধু হওয়া যায়,নোট শেয়ার করা যায়।কিন্তু প্রেমের প্রস্তাব দেয়া যায় না।
পড়ুয়া মেয়েদের সম্পর্কে প্রথম ধারণা হয় ক্লাস নাইন এ থাকতে।রাহাতের বন্ধু ইমন পছন্দ করত স্কুলের সেকেন্ড গার্ল কে।কিন্তু বলার সাহস করতে পারত না।শেষমেষ রাহাতের কাঁধে দেয়া হয় কথা বলার দায়িত্বটা।সেদিন ছিল ফিজিক্স পরীক্ষা।জঘন্য রকমের একটা পরীক্ষা শেষে ও আর ইমন অপেক্ষা করছিল মেয়েটার জন্য।নিতুকে আসতে দেখে এগিয়ে যায় রাহাত।
-এক্সকিউজ মি
-আমাকে বলছেন?
-জী।তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাচ্ছি।
-কি কথা বলবেন তা তো জানিই।পরীক্ষার সময় এসব চিন্তা ভাবনার সময় পান কোত্থেকে?আজকের প্রশ্নটা কি কঠিন হয়েছে দেখেছেন?সেসব দেখবেন কেন।সেসব দেখলে তো এরকম আজাইরা কাজ করতে পারবেনা না।কি বলার আছে বলেন দেখি।
এত গুলো কথা শুনে আর বলার কিছু পায়না রাহাত।চলে যাবার সময় মেয়েটা আবার ডেকে বলে,"খুব তো খুশি মনে এসেছিলেন কথা বলতে।ফিজিক্সে কত পেলেন খাতা পাওয়ার পর জানাতে আইসেন।"
সেবারের পরীক্ষায় রাহাত পায় ৪৩।এই নাম্বার নিয়ে কোন মেয়ের সামনাসামনি হওয়া যায় না।এর পরের বছর অবশ্য ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে পুরস্কার পায় রাহাত।তবু ভালোর উপর খারাপ ধারণা যতটা সহজে স্থান পায় খারাপ ধারণা মুছে ভালোর জায়গা ততো সহজে হয়না।
লাইব্রেরী থেকে বেরিয়ে নিচে দাঁড়াল রাহাত।এই মুহূর্তটায় নিজেকে খুব অসহায় লাগে রাহাতের।প্রেম ব্যাপারটা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।একটা প্রক্রিয়ার মাঝে দিয়ে তা ভালোবাসায় রূপ নেয়।রাহাত জানে সে এখন সেই প্রক্রিয়ার মাঝে দিয়েই যাচ্ছে।নিজেকে খুব করে আটকানোর চেষ্টা করে রাহাত।নিজের অনুভূতিগুলোতে বাঁধ দিয়ে রাখার এক ব্যর্থ চেষ্টা।মধ্যবিত্ত সাধারণ ছেলেগুলোর জীবনে প্রেম ভালোবাসার মত অসহায়ত্বের বিষয় আর নাই।
এদের কাউকে ভালো লাগতে নেই,কারো ভালো লাগার কারণ ও হতে নেই।সব ক্ষেত্রেই বুকে বিঁধে থাকা কাঁটার মত চিন চিনে ব্যথাটা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়।অনুভূতিগুলোকে পাশ কাটিয়ে,না দেখার ভণিতা করে।
ঝির ঝির করে বৃষ্টি পড়ছে।এ বৃষ্টি কখন থামবে কে জানে।সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে।ক্ষণিক বাদেই নিচে নেমে এলো মেয়েটা।রাহাতের পাশে দাঁড়াতেই একধরনের ঘোরের মধ্যে চলে গেলো ও।প্রতিবারই এ ব্যাপারটা ঘটে ওর সাথে।নামের সাথে খুব কম মানুষের মিল থাকে।এ মেয়েটার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন।মেয়েটার নাম পুষ্পিতা।
মেয়েটা আশেপাশে থাকলেই একধরনের সুবাস পাওয়া যায়।চন্দ্রগ্রস্থ রাতে হাসনাহেনার তীব্র নেশা ধরানো সুবাস।এটা সত্যি নাকি মিথ্যা জানেনা রাহাত।আজ হঠাৎই ঘোরের মাঝে ধাক্কা খেয়ে উঠে মেয়েটির কথা শুনে
-আজকের ওয়েদারটা খুব সুন্দর না?
-জী?আমাকে বলছেন?
-আপনি ছাড়া কেউ আছে নাকি এখানে?
-রাহাত অনুভব করছে হঠাৎ করেই হৃদস্পন্দনটা বেড়ে গেছে।তবু নিজেকে যথেষ্ট স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে বলল তা অবশ্য ঠিক।হ্যাঁ খুব সুন্দর লাগছে ওয়েদারটা।
-আপনার বৃষ্টি ভালো লাগে?
-অতটা খারাপ ও লাগে না।
-বৃষ্টিতে ভিজেছেন কখনো?
-না।
-ওমা!সেকি!বৃষ্টিতে ভিজেননি কখনো?ফুটবল খেলেননি কখনো বৃষ্টিতে?
-না।খেলিনি।
-আচ্ছা আপনি এরকম গাব গাছ কেন?আমিই বক বক করছি।
-আসলে কি বলব বুঝতে পারছিনা।
-লাইব্রেরীতে যেয়ে যখন বসে থাকেন?কিংবা ক্যাম্পাসে যখন আমাকে দেখে থমকে দাঁড়ান?তখন বলতে ইচ্ছা করে কিছু?
-না মানে...
-শুনুন আমি আপনার মত গাধা না।একটা মেয়ে ঠিক বুঝতে পারে তার চারপাশে কি হচ্ছে।তবু তাকে চুপ করে থাকতে হয়।সব বিষয় নিয়ে মাতামাতি করার স্বাধীনতা একটা মেয়েকে দেয়া হয়নি।
-তুমি খুব গুছিয়ে কথা বল।
-তুমি?আপনি থেকে তুমি হয়ে গেলো?
-ও সরি।কিছু মনে করবেন না।
-সরি বলতে হবে না।সন্ধ্যা হয়ে গেছে প্রায়।বৃষ্টি থামার লক্ষণ নেই কোনো।আমার বাসায় যাওয়াটা বেশ দরকার এখন।দেরী হলে সমস্যায় পড়তে হবে।একটা রিক্সা ঠিক করে দিনতো।
-এখানে তো রিক্সা নেই।
-রিক্সা নেই তা আমিও দেখতে পাচ্ছি।সে জন্যই আপনাকে বলছি।
-আমি ছাতা আনিনি।
-আপনাকে বৃষ্টিতে ভিজেই যেতে বলছি।যাবেন নাকি গাবগাছের মত দাঁড়িয়ে থাকবেন?
-আচ্ছা যাচ্ছি।
বৃষ্টিতে ভিজেই মেয়েটাকে রিক্সা ঠিক করে দিলো রাহাত।অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছে ওর মাঝে।রিক্সা চলতে শুরু করেছে।রিক্সার চাকার গতিতে পিচঢালা পথে বৃষ্টির পানি ছিটকে পড়ছে।রাহাত তাকিয়ে আছে সেদিকে।একটু যেতেই রিক্সা থামিয়ে পেছন ফিরে তাকালো মেয়েটা।"আর বৃষ্টিতে ভিজে কাজ নেই
চলে আসুন।আপনাকে সামনে নামিয়ে দিব।"রাহাত সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।খুব অল্প একটু দূরত্ব।তবু সে চায়না পথটা শেষ হয়ে যাক।অনুভবের মাঝে এ ভালোলাগা নিয়ে অনন্তকাল চলতে চায় সে।মেয়েটার মুখেও এক স্মিত হাসি।এই হাসির অনুভূতি বড়ই আনন্দের।
বৃষ্টির আগে আকাশে মেঘ জমে।ভালোবাসার ক্ষেত্রে জমে অনুভূতি।সে অনুভূতি খেলা করে অনুভবের মাঝে।মুখে প্রকাশ না পেলেও অনুভবের মাঝে সে বেড়ে চলে।বেড়ে চলে অপেক্ষার কোনো পথচলা হয়ে,আনন্দের কোনো স্মিত হাসি হয়ে।
যেখানেই থাকুক না কেন ভালো থাকুক সব সময়
নাবিলের সঙ্গে অর্চির প্রথম দেখা হয় ক্যাডেট কোচিং করতে গিয়ে। ভালো ছাত্রী হিসেবে সুনাম ভালোই ছিল অর্চির। একটু নিজের মতো থাকতেই পছন্দ করতো ও। কোচিং এ দুর্দান্ত ইংলিশ জানা ছেলে নাবিলকে দেখার পর থেকেই কেন যেন রাগ লাগতো অর্চির। প্রথম প্রথম নাবিল কে সহ্য হতো না ওর। নিজের প্রতিযোগী মনে হতো। এরপর কেন যেন আস্তে আস্তে একটা ভালো লাগা কাজ করতে শুরু করলো। বন্ধুত্ব হয়ে গেলো কিছুদিনের মাঝেই। দুজনের বন্ধুত্ব যখন তুঙ্গে, হঠাৎ করেই নাবিলের পরিবার শহর বদলে চলে গেলো। অর্চি হয়ে গেলো বন্ধুহীন। ভার্সিটিতে ভর্তির পর পর হঠাৎ একদিন নাবিলের সাথে দেখা হয়ে যায় অর্চির। বহুদিনের পুরনো বন্ধুত্বটা ভালোবাসার সম্পর্কে পরিণত হয় খুব অল্প সময়েই।
কী হবে এরপর? নাবিল আর অর্চির ভালোবাসা কি হতে চলেছে পূর্ণ?
কয়েকমাস পর হঠাৎ অর্চি একদিন ভার্সিটিতে আসার পথে এক্সিডেন্ট করে। হাসপাতালে নেওয়া হয় ওকে। মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে প্রায় দুই মাস চিকিৎসায় থাকতে হয় অর্চিকে। ডাক্তার জানায় অর্চির মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে মস্তিষ্কের কিছু অংশ অচল হয়ে গিয়েছে। ওর আর সুস্থ হওয়া সম্ভব না। এই ঘটনা জেনে অর্চির পরিবার ও নাবিল ভয়ানক মুষড়ে পড়ে। এদিকে অর্চির মানসিক ও শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে। হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে নিজেকে কেমন ঘর বন্দী করে ফেলে ও। নাবিলের পরিবার জানায় এমন অসুস্থ মেয়েকে তারা ঘরে আনতে চায় না। অর্চির পরিবার নাবিলকে জানায়, নাবিল যেন অর্চিকে ভুলে যায়। পরিবারের অমতে ওদের বিয়ে করার কোন প্রয়োজন নেই।
কী হবে এখন? নাবিলের পরিবারই কি কোনদিন মেনে নিতে পারবে অর্চিকে?
ভালোবাসাকে দূরে ঠেলে দেওয়ার পাত্র নয় নাবিল। নাবিল তার বাসায় জানিয়ে দেয় বিয়ে করতে হলে সে একমাত্র অর্চিকেই করবে, অন্য কাউকে নয়। নাবিল প্রতিদিন ক্লাস শেষ করে অর্চির সাথে দেখা করতে যায়। অর্চিকে বই পড়ে শোনায়, গান শোনায়, বেঁচে থাকতে উৎসাহ দেয়। অর্চি ঘুমিয়ে গেলে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলে- তোমার সুখের দিন গুলোতে আমি ছিলাম সবচেয়ে কাছের? এখন আমি তোমাকে ছেড়ে কোথায় যাবো? এভাবে কেটে যায় প্রায় একটা বছর। অর্চির প্রতি নাবিলের এই ভালোবাসা দেখে একসময় নাবিলের পরিবার সবকিছু মেনে নেয়। নাবিলের ভালোবাসার শক্তির কাছে পরাজিত হয় সব বাধাই। অসম্ভব সুন্দর একটি দিনে অর্চি আর নাবিলের বিয়ে হয়। নাবিল জানে অর্চির সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অনিশ্চয়তার কথা। তবুও সে মন থেকে অর্চিকে ভালোবেসে যায়।
এপ্রিল মাসের ৮ তারিখে খুব সকালে অর্চির হারিয়ে যায় নাবিলকে ছেড়ে। বিয়ের পর অর্চি বেঁচে ছিল মাত্র তিন মাস। নাবিল এখনও অর্চিকে ভালোবেসেই যাচ্ছে।
অর্চি যেখানেই থাকুক না কেন ভালো থাকুক সব সময়। অর্চিকে ঘিরে থাকুক নাবিলের ভালোবাসা। এই ছিল নাবিল আর অর্চির কাছে আসার সাহসী গল্প ।
Tuesday, March 15, 2016
বোল্টু আর টুনি
ছোট্ট বেলায় বোল্টু কি করেছে সে বেপারে আজ আপনাদের বলব।
বোল্টু আর টুনি পার্কে ঘুরতে গেছে।
।
বোল্টুঃ কি খাবে?
টুনি : বাদাম খাবো !
বোল্টু বাদাম আনতে গেলো, ফিরে এসে দেখে টুনি কাঁদছে!
বোল্টুঃ তুমি কাঁদছো কেনো? কেউ কি তোমাকে কিছু বলেছে?
টুনি: না!
বোল্টুঃ তাহলে কাঁদছো কেনো?
টুনি: আমার এক টাকা হারিয়ে গেছে!
বোল্টুঃ আরে... ! এজন্য কাঁদতে হবে? এই নাও দুই টাকা।
।
কিন্তু টুনি তার পরও কাঁদছে...!
বোল্টুঃ আবার কি হলো ?
।
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
"আমার এক টাকাটা থাকলে এখন তিন টাকা হত...!
।
বোল্টুঃ কি খাবে?
টুনি : বাদাম খাবো !
বোল্টু বাদাম আনতে গেলো, ফিরে এসে দেখে টুনি কাঁদছে!
বোল্টুঃ তুমি কাঁদছো কেনো? কেউ কি তোমাকে কিছু বলেছে?
টুনি: না!
বোল্টুঃ তাহলে কাঁদছো কেনো?
টুনি: আমার এক টাকা হারিয়ে গেছে!
বোল্টুঃ আরে... ! এজন্য কাঁদতে হবে? এই নাও দুই টাকা।
।
কিন্তু টুনি তার পরও কাঁদছে...!
বোল্টুঃ আবার কি হলো ?
।
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
!
"আমার এক টাকাটা থাকলে এখন তিন টাকা হত...!
ফাকা মাঠে পিকনিক
আজ এখন পোস্ট করার ইচ্ছা তেমন ছিলনা।
তবুও একটা লিখলাম, তাই একটু ছোট হয়ে গেল।
দুই বন্ধু পিকনিকে গেছে। ফাকা মাঠ।
রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল তারা দুজন।
মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল।
১ম বন্ধু : দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?
২য় বন্ধু : হ দোস্ত। দেখতাছি তো।
১ম বন্ধু : কি বুঝলি?
২য় বন্ধু : আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।
।
।
।
।
।
।
১ম বন্ধু : ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!! আমাগোর তাবুডা চুরি হইয়া গেছে।
রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল তারা দুজন।
মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল।
১ম বন্ধু : দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?
২য় বন্ধু : হ দোস্ত। দেখতাছি তো।
১ম বন্ধু : কি বুঝলি?
২য় বন্ধু : আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।
।
।
।
।
।
।
১ম বন্ধু : ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!! আমাগোর তাবুডা চুরি হইয়া গেছে।
Tuesday, March 8, 2016
শিবরাত্রি
শিবরাত্রি - তে দুধ অপচয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্টের ছড়াছড়ি।
তো আমরা কেন করব না!
লেখাটা আর টাইপ করলাম না। উপরের ছবি থেকেই পড়ে নেন।
বোল্টু ইদানীং নাকি একটু ভদ্র হয়েছে!
সে ঠিক করেছে যে আর কোন আজেবাজে কথা সে বলবে না।
সেদিন ক্লাসে...
মাস্টারমসায় - রামায়ণ কে রচনা করেছিলেন বলত বোল্টু?
বোল্টু - স্যার, চুলমিকি।
উত্তর দেওয়ার পর স্যারের হাতে বেদম ক্যালানি🏼 খাওয়ার পর...
বোল্টু - গালে হাত দিয়ে ভাবছে, ভদ্রভাষায় উত্তর দিয়ে এই ক্যালানি, আসল নামটা বলে দিলে না জানি আজ আমার কি হাল হত!
বোল্টু ইদানীং নাকি একটু ভদ্র হয়েছে!
সে ঠিক করেছে যে আর কোন আজেবাজে কথা সে বলবে না।
সেদিন ক্লাসে...
মাস্টারমসায় - রামায়ণ কে রচনা করেছিলেন বলত বোল্টু?
বোল্টু - স্যার, চুলমিকি।
উত্তর দেওয়ার পর স্যারের হাতে বেদম ক্যালানি🏼 খাওয়ার পর...
বোল্টু - গালে হাত দিয়ে ভাবছে, ভদ্রভাষায় উত্তর দিয়ে এই ক্যালানি, আসল নামটা বলে দিলে না জানি আজ আমার কি হাল হত!
বোল্টুর ফেসবুক পাসওয়ার্ড
আজ আবার বোল্টুকে নিয়ে এসেছি আপনাদের কাছে।
মজার কিন্তু ছোটো একটা জোকস।
চলুন পড়তে শুরু করে দেন।
বল্টু সব সময় তার ফেসবুক আইডির Password ভুলে যায়।তাই তাকে মাঝে মাঝেই নতুন ফেসবুক আইডি খুলতে হয়।
এইবার সে তার বিদ্যা সাগরের বিদ্যা কাজে লাগিয়ে নিউটনের চিন্তা শক্তি Use করে একটা সেইরাম পুরো ফাটাফাটি একটা Password দিয়েছে, যেটা ভুলে গেলেও ফেসবুক নিজেই তাকে ঠিকই মনে করিয়ে দেবে।
আর সেই পাসোয়ার্ড টি হলো,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
"Incorrect"
তাই যখনি সে ভুল Password দিয়ে ফেসবুক লগিন করে তখন ফেসবুকই তাকে তার পাসোয়ার্ড বলে দেই "Your Password is incorret. :D :D
বেণীমাধব নতুন ভার্সান
"বেণীমাধব" জয় গোস্বামী রচিত একটি খুব সুন্দর এবং বিখ্যাত কবিতা সেটা আমরা সবাই জানি।
তবে আজ আমরা সেটার মজার ভার্সানটা শুনবো।
প্লিজ কেউ রাগ করবেন না। এটা শুধুমাত্র মজা করার জন্য।
তোমার বউয়ের সঙ্গে বসে বাদাম ভাজা খাবো।
প্রথম যেদিন গিয়েছিলাম আমি তোমার ঘরে
সেই দিনটা বেণীমাধব এখনও মনে পড়ে।
ভিতর থেকে বেরিয়ে এলো তোমার মিষ্টি বউ
ঘণ্টা বাজলো আমার বুকে শুনল না তো কেউ !
বেণীমাধব তোমার বউয়ের পিঠ ছাপানো চুল
আমার মনে কুটুস করে বিঁধিয়ে দিলো হুল !
তুমি যখন বেণীমাধব দাঁড়াও বউয়ের পাশে
বুক ফেটে যায় ঈর্ষাতে আর দু'চোখ জলে ভাসে।
জুড়ায় নাকো মোটেই, শুধুই পুড়ায় আমার চোখ
তোমার বউয়ের প্রেমে আমি চরিত্রহীন লোক।
কিসের এত ন্যায় অন্যায় কিসের এত আইন ?
তোমার বউই বেণীমাধব আমার ভ্যালেন্টাইন।
চুপি চুপি বেণীমাধব কয়েকটা দিন পরে
তোমার বউয়ের সঙ্গে দেখা করবো ব্রিজের ধারে।
জ্বলবে আগুন বেণীমাধব দুইজনারই বুকে
তোমার বউকে ফুঁসলে নিয়ে ভাগবো দূর মুলুকে।
বুঝবে তখন বেণীমাধব কি ভয়ানক জ্বালা
পেয়েছিল সেই মালতী স্কুলের নবম শ্রেণীর বালা!
অনিদ্রা আর বদহজমে শরীর যাবে ক্ষয়ে
বদলা নেবো বেণীমাধব সেলাই বোনের হয়ে!
বেণীমাধব - এর জবাব
নিবিই যদি ঠিক করেছিস এমন প্রতিশোধসংগোপনে সুদীর্ঘকাল লুকিয়ে রাখিস ক্রোধ।
যা করবার কর না বন্ধু একটু তাড়াতাড়ি
আমিও তবে মুক্ত হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারি।
মধুঝরা হাসি, বক্র চাহনি একঢাল কালো চুলে
তোমার মতই আমিও একদা গিয়েছি ভূবন ভুলে।
ঘোর কেটে গেলে হিসাব পেলাম কত ধানে কত চাল
সাধে কি আমার হয়েছে এমন পাগলের মতো হাল!
তোর কথা শুনে ফের মনে হল এখনও আছি রে বেঁচে
পুলকে আমার হৃদয়কমল কেমন উঠেছে নেচে।
বন্ধু তোমায় একটি বাক্য চুপিচুপি দিই কহে
একবার নিলে ও জিনিস আর ফেরৎযোগ্য নহে।
Tuesday, March 1, 2016
রকেট ক্যাপসুল ও সরকারি কর্মচারী
আপনারা কেমন আছেন?
গল্প কেমন লাগছে, নিচে মন্তব্য করে জানাতে ভুলবেন না।
কর্মচারী - স্যার এই নিন আমার পিতৃত্বের ছুটির আবেদন।ঊর্ধ্বতন - অ্যাঁ! আর ছয়মাস মাস পরে তো আপনার অবসর! এখন আবার বাবা হতে চলেছেন!
কর্মচারী - কেন স্যার সরকারের এমন তো কোন নিয়ম নেই ৫৭ তে বাবা হওয়া যাবে না।
ঊর্ধ্বতন - তা নেই , তবে চক্ষুলজ্জা বলে তো কিছু আছে।
কর্মচারী - হে হে, কি যে বলেন স্যার - ৪৮% ডিএ বাকি রেখে যদি সকারের চক্ষুলজ্জা না থাকে আমার ইয়ে করতে গেলে কেন থাকবে!
ঊর্ধ্বতন - ডি এর সাথে বাবা হওয়ার কি সম্পর্ক?
কর্মচারী - সেটাও সরকারের আশীর্বাদ।
ঊর্ধ্বতন - মানে?
কর্মচারী - আমার শরীর ভালো ছিলনা , ডাক্তার দেখাবো বলে ঠিক করলাম, প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে এমন ডাক্তারদের প্রচুর ফী, সরকার তো মাইনে পুরো দিতে পারে না তাই সরকারি হাসপাতালে গেছিলাম চিকিৎসা করাতে।
ডাক্তার দেখে বললেন শরিরে ভিটামিনের অভাব , বিকোসুল ক্যাপসুল খান, গেলাম ফেয়ার প্রাইস শপে, বিকোসুলের বদলে ভুল করে রকেট ক্যাপসুল দিয়ে দিয়েছে। একদিন দু দিন খাবার পর দেখলাম বেশ চনমনে লাগছে, হৃত যৌবন ফিরে পাচ্ছি।
ঊর্ধ্বতন - তারপর?
কর্মচারী- ব্যাস একদিন রাতে বউ হেসে কয়। আছে যখন পিতৃত্বের ছুটি চল করি এনজয়।।
Subscribe to:
Comments (Atom)





