Sunday, February 28, 2016

বোল্টুর বন্ধু

আজ আপনাদেরকে দুটো ছোটো ছোটো মজার জোকস উপহার দেব।
একটা বোল্টুকে নিয়ে আর একটা স্বামি-স্ত্রী সম্পর্কীয় মজার জোকস।
তাহলে প্রথমে বোল্টু দিয়ে শুরু করি শুরু করি।
 

বল্টুঃ দোস্ত আমাকে তুই ১০০ টাকা ধার দিবি? ৭দিন পরেই দিয়ে দেবো। প্লিজ...
নন্টেঃ এই নে ৫০০ টাকার নোট। আমার কাছে এর থেকে ছোট নেই।
বল্টুঃ টাকা হাতে পেয়ে, "দোস্ত তুই আমার অনেক বড়ো উপকার করলি, তোর এই ঋণ কোনদিন শোধ করতে পারবোনা!"
তারপর দুই মাস হয়ে যায় বল্টু আর টাকা দেয় না!
নন্টেঃ কিরে, আমার টাকাটা তো আর দিলি না!
বল্টুঃ কিসের টাকা?
নন্টেঃ এর মধ্যেই সব ভুলে গেলি? তুই যে দুই মাস আগে আমার থেকে ৫০০ টাকা নিয়েছিলি।
বল্টুঃ কিন্তু তোকে না টাকা নেয়ার সময়ই বলছি তোর এই ঋণ আমি কোন দিন শোধ করতে পারবোনা...!! আবার কিসের টাকা?
এবার আসছি স্বামি ও স্ত্রীর গল্প নিয়ে।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে।
ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন।
স্ত্রী: কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?
স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলেই কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে।
তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, "আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি।"
স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন।
স্বামী: (থ হয়ে) তুমিও আমাকে? ...পারলে?
স্ত্রী: তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি! তোমার থেকে আমি তোমাকে বেশি ভালোবাসি।

প্রেম ৭ রকমের, জেনে নিন আপনারটা কেমন


১. ভালোলাগা
এমন মানুষ যার সঙ্গে আপনি সমস্ত কথা শেয়ার করতে চান। সমস্ত মুহূর্ত এক সঙ্গে কাটাতে চান। তাকে আপনার শুধুই ভালোলাগে। এই অনুভূতিকে কখনওই ভালবাসা বলে ভেবে বসবেন না। তিনি আপনার খুব ভালো বন্ধু হতে পারে, কিন্তু কাছের মানুষ নয়।
২. মোহ
আপনি একটা মানুষকে রোজ দেখছনে বেশ ভালোও লাগছে আপনার। তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে চাইছেন। কিন্তু এটা শুধুমাত্রই মোহ। যখন আপনার এই মোহ কেটে যাবে তখন আপনার ভালোলাগাও দূরে চলে যাবে। এখানে শুধুমাত্রই আবেগ কাজ করে। আবেগ ছাড়া আর কিছুই বর্তমান থাকে না।
৩. প্রতিশ্রুতি
অনেক সময় দেখতে পাওয়া গেছে আপনি হয়ত কাউকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসে আছেন। কিন্তু সেই মানুষটির প্রতি কোনও রকম যৌন আকর্ষণ অনুভবই করছেন না। কিন্তু তাঁকে ছেড়ে দিতেও মন চাইছে না। তখন আপনি খালি প্রেমের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক সময় বহু বছর প্রেম করার পরেও অনেকেই বিয়ে করেন কেবলমাত্র একে ওপরের কাছে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ থাকেন বলে।
৪. রোমান্টিক প্রেম
আবেগ এবং অন্ত্রঙ্গতা যখন কোনও ভালবাসার মধ্যে থাকে তখন তাকে রোম্যান্টিক প্রেম বলা হয়ে থাকে। যেই মানুষকে হয়ত আপনি কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও একটি মধুর সম্পর্কের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছেন আপনি। এই সম্পর্ক সব সময় বেশি দূর না চললেও একটা মধুর অনুভূতি দিয়ে যেতে পারে আপনাকে।


৫. ঘনিষ্ট প্রেম
যখন অন্তরঙ্গতা এবং প্রতিশ্রুতি দুটোই সম্পর্কের মধ্যে থাকে তখন তাকে ঘনিষ্ট প্রেম বলা হয়ে থাকে। এই প্রেম সাধারণত কোনও বন্ধুর প্রতি অথবা যে কোনও মানুষের প্রতি হয় থাকে। যাকে আপনি অনেক দিন ধরেই চেনেন, কিন্তু তার সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে কখন এতোটা ঘনিষ্ট হয়ে গেছেন সেটাও বুঝতে পারেননি। এই প্রেম টেঁকার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি।
৬. অর্থহীণ প্রেম
দূর থেকে দেখার পর অনেক মানুষকেই বেশ ভালো লাগে আমাদের। আমরা সেই মানুষটির পছন্দকে নিজের পছন্দ হিসেবে মেনে নিতে থাকি। হয়ত অনেক সময় সেই ভালোলাগা বিয়ে পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু তারপর সমস্ত ভালোলাগার অবসান ঘটে যায়। কারণ মানুষকে কাছ থেকে না দেখে দূর থেকে দেখেই তাকে আমরা বিচার করতে থাকি। যার ফলে ভবিষ্যতে অনেক বড় ধোকা খেতে হয় আমাদের।
৭. অনবদ্য প্রেম
অন্তরঙ্গতা, আবেগ এবং প্রতিশ্রুতি এই তিনটি উপাদান যখন ভালবাসার মধ্যে মিলে মিশে যায় তখন একোটা অনবদ্য প্রেম পাই আমরা। এই প্রেমের ক্ষেত্রে অন্তরঙ্গতা যে রকম থাকে ঠিক সেই রকমই থাকে একে ওপরের প্রতি বিশ্বাস, ভরসা। যেই প্রেমিক যুগলের মধ্যে দেওয়াল তোলার ক্ষমতা কারোর থাকে না। এই প্রেমই হয় সত্যিকারের প্রেম। এই প্রেম সত্যি সত্যি কাঁঠালের আঠা, যাকে সরষের তেল দিয়েও ছাড়ানো সম্ভব নয়...
সবই তো শুনলেন। এবার বলুন আপনার কোনটা?
নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
 

Saturday, February 27, 2016

নকল বৌ




বিয়ের পরদিন সকালবেলা। 
নতুন বৌ ঘুম থেকে একটু আগে উঠলো, বরটি উঠলো একটু দেরিতে। 
নতুন বৌ ফ্রেশ হয়ে এসে ডাকছে, 'এই ওঠোনা, ওঠো, সকাল হয়ে গ্যাছে তো।'
ছেলেটি চোখ মেলেই দেখতে পেলো, অপরিচিত এক মহিলা তাকে ডাকছে কিন্তু তার Wife এর পরিধেয় সব কাপড় সে পরে নিয়েছে!
ছেলে: লাফ দিয়ে উঠে, কে আপনি? এখানে কি চান? আমি তো আপনাকে চিনি না!
- আমি কে মানে? কি বলছো এসব?
ছেলের চেঁচামেচি শুনে মা-বাবা ও বাড়ির অন্যরা সবাই দৌড়ে এলো, কি হয়েছে? কি হয়েছে?
ছেলে: দেখো মা, কোথাকার কোন মেয়ে বলছে সে নাকি আমার বউ!
ছেলের বাবা : হ্যা তাইতো আমরা তো তোকে এই মেয়ের সাথে বিয়ে করাইনি!
ছেলের মা: বুঝেছি আমাদেরকে ঠকিয়েছে, দেখিয়েছে একজনকে, আর বিয়ে দিয়েছে আরেকজনকে।সবাই একই কথাই বলছে, মেয়ে কাউকে বোঝাতে পারছে না।
ছেলের বাপ: এই তোর শুশুর কে ফোন কর, আজই এই হতভাগাকে ডিভোর্স দিবি।
ছেলে : করছি বাবা।
ইতোমধ্যে মেয়ের বাপ হাজির হতেই ছেলের বাপ গুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়ছেন, আপনার রিরুদ্ধে আমি প্রতারণার মামলা করবো, আমাদেরকে নকল বউ দিয়েছেন!
ডিভোর্স এর সব ব্যবস্থা হয়ে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই। 
মেয়ে বললো আমি কিছু বলতে চাই।
ছেলে: আরে ওকি বলবে!
ছেলের বাপ: ঠিকাছে বলো।
মেয়ে : আসলে হয়েছে কি জানেন বাবা? আপনারা আমাকে যতবার দেখেছেন মেকআপ করা অবস্থায় দেখেছেন তো তাই ব্যাপারটা এমন হয়েছে। প্লিজ আমাকে ৩০ মিনিট সময় দিন, বিশ্বাস করুণ আমাকে, আমি শুধু পার্লারে যাবো আর আসবো, কথা দিলাম আপনাদের নকল বউ আসল বউ হয়েই ফিরে আসবে।

বড় ইচ্ছে করে ভালোবাসতে

বড় ইচ্ছে করে, রোজ খুব সকালে ঘড়ির এলার্মের মতো তোর ঘুম ভাঙাতে।
বড় ইচ্ছে করে, সকালে চায়েরকাপে চুমুক দেয়া তোর মায়াবী ঠোঁটের স্বাদ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ঘর্মক্লান্ত দুপুরে স্নানের পর তোর প্রতিটি অঙ্গের ঘ্রাণ নিতে।
বড় ইচ্ছে করে, বিকালের হালকা রোদে তোর হাত ধরে ব্যস্ত শহরে হাটতে।
বড় ইচ্ছে করে, চাঁদনী রাত তোর ঘুমন্ত মায়াবী চেহারা দেখে কাটিয়ে দিতে।
বড় ইচ্ছে করে, ছায়ার মতো প্রতিটা মুহুর্তের তোর সঙ্গী হতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে নিয়ে গড়া এই কল্পনা গুলোকে সত্যি করে তুলতে।
বড় ইচ্ছে করে, তোকে আমার মনের মতো করে ভালবাসতে।
এগুলো শুধুমাত্র ইচ্ছা, মনে হয় না কখনও পুরন হবে কিনা!

ছোট কিছু কথা যা মনে আসছে লিখে ফেললাম।
ভালোবাসা মানে জয়ী হওয়া না। বরং কারো জন্য পরাজয় টাকে মেনে নেওয়া।
ভালোবাসা হোক অসীম। বেঁচে থাকুক ভালোবাসা হাজার বছর।

সব ভুলবোঝাবুঝি



পাশাপাশি রিকশায় আমরা। 
এত আড়াল করার পরও চোখে চোখ পড়ে গেল। 
এত বছর পরেও বুকটা এমন ধুকধুক করে কেন! 
কথা বলবনা বলবনা করেও মুখ দিয়ে বের হয়ে গেল, কেমন আছ?
- ভালো। তুমি?
- ভালো। বাড়ি ফিরছ?
- হ্যা। তুমি?
- আমিও, এখানে নতুন এসেছ? আগে দেখিনি তো।
- দেখা দিতে চাইনি।
- আমিও তো। 
- ইস কি বিশ্রী জ্যাম!
- হ্যা। কখন যে একটু চলতে শুরু করবে!
- সেটাই। তোমার শ্বাসকষ্টের অসুখটা কমেছে?
- না ঐ এক রকমই আছে। তোমার মাইগ্রেইন?
- আগের চেয়ে কিছুটা কম। মনে আছে তোমার?
- হ্যা, হেসে বলি আমি। এরপর কোন কথা নেই কিছুক্ষন। জ্যামটাও ছাড়ছেনা।
- এখনও প্রতিদিন শাড়ি পর?
- তুমিইতো অভ্যাসটা করিয়েছিলে। আর ছাড়তে পারিনি।
- অভ্যাসটা ছাড়তে পারনি কিন্তু মানুষটাকে ঠিকই ছেড়ে গেলে।
- আহা ওসব থাক না প্লিজ।
- হ্যা থাক। আচ্ছা তোমার দিদি ভালো আছে?
- দিদি এখন নিজের বাড়িতে, বিয়ে হয়ে গ্যাছে। জ্যাম বুঝি ছাড়ল। যাই।
- যাও। শাড়ির আঁচলটা গুটিয়ে নাও রিকশার চাকায় আটকাবে।
- তুমিও সানগ্লাস টা পর। রোদে মাথাব্যথা করবে।
- এই শোন, ভালো থেক।
- তুমিও ভালো থেক । রাত জাগার বিশ্রী অভ্যাসটা বাদ দিও। আর অনেক শুকিয়ে গেছ। নিজের যত্ন নিও। 

সামনের দিকে তাকালাম। আমার রিক্সা কিছুটা এগিয়ে গেছে। হলুদ শাড়ি পরা আমার চুল বাতাসে উড়ছে। শাড়িটা ওরই দেয়া ছিল। ও কি চিনতে পেরেছে? 
আজ ১৬-ই জানুয়ারি। এই দিনেই ওর সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। মনে কি আছে ওর? 
চুলগুলো বাঁধতে গিয়েও বাঁধলাম না। খোলা চুল ওর খুব প্রিয় ছিল। এত বছর পরে নিজেকেও বড্ড অচেনা লাগে। মানুষ কি সবসময় নিজেকে চিনতে পারে? চোখটা আজ বড় বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে।

বোকা ছেলে

ছেলে শ্বশুরবাড়ী যাবে। 
বুদ্ধিশুদ্ধি একটু কম তাই মা তাকে ভাল করে শিখিয়ে দিল। 
বলল, তোর শ্বশুরের অসুখ তাই আগে তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করবি কেমন আছেন।
উনি হয়তো বলবেন ভাল। তখন বলবি এইটাই তো আমাদের কাম্য। 

তারপর তিনি কি পথ্য করছেন জানতে চাইবি। 
তিনি কিছু একটা বলবেন, তুই তখন বলবি অতি উপাদেয় পখ্য, রোজ খেলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন আসা করি। 
তারপর জিজ্ঞেস করবি কোন ডাক্তার তার চিকিৎসা করছেন। 
ডাক্তারের নাম শুনে বলতে পারবি তো, "দারুন ডাক্তার, খুব তারাতাড়ি ভাল হয়ে যাবেন !"
আর সব সময় হাসি, হাসি মুখ করে থাকবি কেমন। 

মা নেওটা ছেলে ঘাড় নেড়ে বেরিয়ে পড়ল।
শ্বশুর মশাই রোগের জ্বালায় বিছানায় শুয়ে ছটফট করছেন।
জামাই ঘরে ঢূকে, হাসতে,হাসতে জিজ্ঞেস করল,কেমন আছেন বাবা ?
শ্বশুরঃ- আর বাঁচার ইচ্ছা নেই, এবার মরলেই বাঁচি। 

জামাইঃ- এটাই তো আমাদের কাম্য। তা কি পথ্য করছেন এখন আপনি ?
শ্বশুরঃ- (চটে গিয়ে) ঘোড়ার ডিম।
জামাইঃ- বাঃ,বাঃ,অতি উপাদেয় পথ্য,রোজ খেয়ে যান ভাল হয়ে যাবেন আসা করি। আবার হাঁসতে-হাঁসতে তা ইয়ে কোন ডাক্তারকে দেখাচ্ছেন?
শ্বশুরঃ- (আরও চটে) যম।

জামাইঃ- খুব ভাল ডাক্তার, বেশ নাম করা ডাক্তার, আপনি কিছুদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে উঠবেন।